গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) মাসিক কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় পুলিশ সদস্যদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতের পাশাপাশি মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে মাদক, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, হানিট্র্যাপ ও কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়।
রবিবার (১৪ জুন) সকাল গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরে মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন জিএমপি
পুলিশ কমিশনার মোঃ ইসরাইল হাওলাদার।
সভায় জিএমপির বিভিন্ন ইউনিটের সব পর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা ব্যক্তিগত ও পেশাগত বিভিন্ন সমস্যা, আবেদন ও কল্যাণসংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরেন। পুলিশ কমিশনার সেসব বিষয়ে মনোযোগ সহকারে বক্তব্য শোনেন এবং সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
কল্যাণ সভায় বক্তব্যে তিনি বলেন, পুলিশ সদস্যদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে জিএমপি সর্বদা আন্তরিক। একই সঙ্গে জনগণের প্রত্যাশিত, মানবিক ও পেশাদার পুলিশি সেবা নিশ্চিত করতে সকল সদস্যকে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
পরে দুপুর আড়াইটায় জিএমপি সদর দপ্তরের কনফারেন্স কক্ষে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মহানগরীর সার্বিক অপরাধ পরিস্থিতি, বিভিন্ন থানার কার্যক্রম এবং চলমান মামলাগুলোর অগ্রগতি নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়।
সভায় পুলিশ কমিশনার মোঃ ইসরাইল হাওলাদার মহানগর এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি মাদক কারবার, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, হানিট্র্যাপ, কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে আরও কার্যকর অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানান। পাশাপাশি অনুদ্ঘাটিত মামলার দ্রুত রহস্য উদ্ঘাটন, ওয়ারেন্ট তামিল জোরদার, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম আরও গতিশীল করার নির্দেশনা দেন।
এ সময় দায়িত্ব পালনে বিশেষ অবদান ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কৃতিত্বপূর্ণ পুলিশ সদস্যদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
কল্যাণ সভা ও অপরাধ পর্যালোচনা সভায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনারবৃন্দ এবং জিএমপির বিভিন্ন ইউনিটের উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।